আইসিডিএস ওয়ার্কার ও হেল্পার নিয়োগ ২০২৬

নমস্কার, wbformhelp.in ওয়েবসাইটে তোমাদের প্রত্যেককে স্বাগত। রাজ্যে ২০ হাজার প্লাস শূন্যপদে যেখানে ICDS ওয়ার্কার এবং হেল্পার নিয়োগ করা হচ্ছে। রাজ্যের প্রত্যেকটা জেলার থেকে, প্রতিটি ব্লক থেকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া করা হচ্ছে। যারা দীর্ঘদিন থেকে আইসিডিএস ওয়ার্কার এবং হেল্পার পদের জন্য ওয়েট করে আছো, তারা এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়। তুমি বা তোমার পরিবারে আইসিডিএস এর প্রার্থী যদি কেউ থাকে, অবশ্যই আর্টিকেলটি তাদের সাথে শেয়ার করবে; খুবই ইম্পর্টেন্ট পোস্ট। কারা কারা যোগ্য, কোন পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ করা হচ্ছে এবং কত পেলে তোমরা পাস করবে এই ২০২৬-এ, ২০২৬-এ দাঁড়িয়ে তোমাদের কত পারসেন্টেজ নাম্বার তুলতে হবে—এ টু জেড তথ্য তোমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে পেতে চলেছো।
জেলা ভিত্তিক নিয়োগের বিবরণ
রাজ্যের প্রতিটি জেলাতে তোমরা ভ্যাকেন্সি দেখতে পাচ্ছ। যেমন উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতে ২২ টি ব্লক রয়েছে; সেই ২২ টি ব্লকে কিন্তু এই নিয়োগটি করা হচ্ছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতে ঠিক একইভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে ২৯ টি ব্লকে নিয়োগ করা হচ্ছে, আর পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে ২৫ টি ব্লকে নিয়োগ করা হচ্ছে। তোমরা রাজ্যের কোন জেলা থেকে পোস্টটি দেখছ, সেটা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে। প্রত্যেকটা জেলাতেই কিন্তু এই নিয়োগটি করা হচ্ছে—পশ্চিম মেদিনীপুরে ২১ টি ব্লকে, মুর্শিদাবাদে ২৬ টি, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি প্রত্যেকটা জেলাতেই তোমরা এই যে ভ্যাকেন্সি, সেটা কিন্তু তোমরা দেখতে পাচ্ছ। অল ওভার ওয়েস্ট বেঙ্গলে যেখানে ২০ হাজার প্লাস শূন্যপদে নিয়োগ করা হচ্ছে, রাজ্যের ২৩ টি জেলাতে ৩৪১ টি ব্লকে এই নিয়োগটি করা হচ্ছে; যেখানে ২০ হাজার প্লাস শূন্যপদে কর্মী এবং সহায়িকা পদে নিয়োগ করা হচ্ছে।
এখানে এপ্লাই করার জন্য প্রথমে আমি তোমাদের জানাবো শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বয়স। এখানে এপ্লাই করার জন্য যেটা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং সহায়িকা উভয় পদে এপ্লাই করার জন্য তোমাদের মিনিমাম শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই উচ্চ মাধ্যমিক পাস থাকতে হবে। তবে বিগত নিয়োগগুলোর ক্ষেত্রে যদি আমরা লক্ষ্য করি, সেখানে ক্লাস এইট এবং মাধ্যমিকও এপ্লাই করতে পেরেছিল; তবে এখন থেকে এপ্লাই করার জন্য তোমাদের মিনিমাম শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস তোমাদের থাকতে হবে। আর বয়স ১৮ থেকে ৩৫ এর মধ্যে থাকতে হবে। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী প্রত্যেকে আবেদন করতে পারে; তবে এসসি এসটি ৫ বছর ওবিসি ৩ বছরের ছাড় কিন্তু থাকছে।
নিয়োগ প্রক্রিয়া

নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেটা সিলেকশন প্রসেস, সেটা তোমরা দেখে নাও। এখানে দুটি ধাপে নিয়োগ করা হয়। তাদের একটি ৯০ নাম্বারের পরীক্ষা দিতে হবে; যেখানে সাধারণ জ্ঞান থেকে শুরু করে পাটিগণিত, পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্য, পাশাপাশি নারী ও শিশুর উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রশ্ন, ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞান (জিকে)—এই সমস্ত টপিক থেকে, এই সমস্ত বিষয়বস্তু থেকে তোমাদের পরীক্ষা হবে। একটু পরে আমি তোমাদের জানাবো অবশ্যই যে কোনগুলো টপিক তোমাদের ফলো করতে হবে এবং কোনগুলো টপিক থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়।
এবং তারপরে থাকবে ইন্টারভিউ; যেখানে ১০ নাম্বারের একটি ইন্টারভিউ থাকবে। তবে ইন্টারভিউ-এ পৌঁছানোর আগে তোমাদের অবশ্যই লিখিত পরীক্ষায় পাস করতে হবে। যে সকল প্রার্থী পাস করবে, তারাই শুধুমাত্র ইন্টারভিউর জন্য ডাক পাবে; এবং লিখিত পরীক্ষায় কত নাম্বার, কত পারসেন্টেজ নাম্বার পেলে তোমরা মৌখিক পরীক্ষায় ডাক পাবে—সেটাও তোমরা এই পোস্টে জানবে।
Read More : Post Office New Vacancy 2026 | ৮ ও মাধ্যমিক পাশে চাকরি – পোস্ট অফিসে নতুন আপডেট
আবেদন পদ্ধতি
আবেদন কি করে করবে? আবেদন করার জন্য নিজস্ব নিজস্ব জেলার যে অফিসিয়াল সাইট রয়েছে, সেই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তোমাদের ভিজিট করতে হবে। ধরো মুর্শিদাবাদে—মুর্শিদাবাদ থেকে এপ্লাই করলে তাদের প্রথমে murshidabad.gov.in এই অফিসিয়াল সাইট ভিজিট করে এপ্লাই করতে হবে। ঠিক একইভাবে হুগলি থেকে যারা এপ্লাই করবে, hooghly.nic.in এই অফিসিয়াল সাইট ভিজিট করে তোমাদের এপ্লাই করতে হবে। সেটা বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে; সেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এপ্লাই করতে হবে তোমাদের।
তো সাধারণত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে অনলাইনের মাধ্যমে এপ্লাইটি জমা নেওয়া হয়। তো অনলাইনের মাধ্যমে তোমাদের এপ্লাই করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রত্যেকটা ডকুমেন্ট সেখানে আপলোড করতে হবে যখন তোমরা এপ্লাই করবে। যেখানে আধার কার্ড থেকে শুরু করে ভোটার কার্ড, রেসিডেনশিয়াল সার্টিফিকেট, শিক্ষাগত যোগ্যতা সার্টিফিকেট, মার্কশীট এবং যদি কোনো Caste থেকে বিলং করো, সেই Caste-এর সার্টিফিকেট—এই প্রত্যেকটা ডকুমেন্ট তোমাদের আপলোড করতে হবে।
এবং যদি অফলাইনের মাধ্যমে আবেদন প্রসেস শুরু হয়, সেক্ষেত্রে প্রথমে অনলাইন থেকে সেই অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে; প্রিন্ট আউট করে ফিলাপ করতে হবে। প্রত্যেকটা ডকুমেন্ট সেই ফর্মের সাথে এটাচ করে নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট বিডিও অফিসে গিয়ে, নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে জমা করতে হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
আর অবশ্যই আমি জানাবো; যখনই নোটিশ পাবলিশ হবে, প্রত্যেকটা জেলাওয়াইজ আমি তোমাদের জানাবো কোন জেলাতে কোন প্রসেসে তোমাদের এপ্লাই করতে হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই জেলার নামগুলো কমেন্ট করবে।
ইতিমধ্যে দেখো, আইসিডিএস ওয়ার্কার এবং হেল্পারের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে; যেখানে তোমরা ১২,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা বেতন পাবে কর্মী পদে এবং সহায়িকা পদের ক্ষেত্রে ৮,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা কিন্তু তোমরা এখানে বেতন পাবে। অত্যন্ত ভালো মানের বেতন, যেখানে তোমরা ৬০ বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারবে বা চাকরি করতে পারবে। পুরোপুরি সরকারি পদে নিজের জেলায়, নিজের লোকেশনে কিন্তু তোমরা চাকরি করতে পারছ।
কি কি ডকুমেন্টস লাগবে দেখে নাও। আইডেন্টিটি এবং রেসিডেন্সি প্রুফ হিসেবে তোমাদের যে সমস্ত ডকুমেন্টগুলো জমা করতে হবে—প্রথমে জানিয়ে দিচ্ছি, যেহেতু নিজের সংশ্লিষ্ট ব্লকে বা পঞ্চায়েতের এলাকায় তোমরা এপ্লাই করতে পারছো, অন্য কোন ব্লকে বা অন্য কোন জেলাতে এপ্লাই করতে পারবে না; সেক্ষেত্রে প্রথমে যেটা প্রয়োজন থাকবে, সেটা হচ্ছে রেসিডেনশিয়াল সার্টিফিকেট। সেটা পঞ্চায়েত প্রধান বা মিউনিসিপ্যালিটির সাক্ষ্যসহ তোমাদের সেই রেসিডেনশিয়াল প্রুফ সার্টিফিকেট জমা করতে হবে। সেটা অনলাইনে হোক বা অফলাইনে হোক, সেটা অবশ্যই তোমাদের দিতে হবে; অরিজিনাল কপি দিতে হচ্ছে, তো এটা কিন্তু অবশ্যই ইম্পর্টেন্ট। পাশাপাশি আধার কার্ড, রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড—এই প্রত্যেকটা ডকুমেন্ট তোমাদের পরিচয়পত্র এবং রেসিডেনশিয়াল সার্টিফিকেট হিসেবে তোমাদের এখানে আপলোড অথবা জমা করতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা সার্টিফিকেট হিসেবে যে সমস্ত সার্টিফিকেট তোমাদের দিতে হবে: দেখো, যেহেতু এখানে আবেদন করার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস, সেক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিক পাস সার্টিফিকেট আর মার্কশীট অবশ্যই তোমাদের দিতেই হবে। পাশাপাশি মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড, এজ প্রুফ সার্টিফিকেট হিসেবে তোমাদের প্রয়োজন থাকবে; মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড খুবই ইম্পর্টেন্ট, মাধ্যমিকের এডমিট তোমাদের জমা করতে হবে। পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিকের মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট কিন্তু তোমাদের এখানে দিতে হচ্ছে।
এবং যে সকল প্রার্থী এসসি, এসটি এবং ওবিসি প্রার্থী, তাদের ক্ষেত্রে এসসি/এসটি সার্টিফিকেট কিন্তু তোমাদের দিতে হবে। এরপরে তোমাদের একটি রিসেন্ট পাসপোর্ট সাইজের ছবি আপলোড করতে হবে বা লাগিয়ে নিতে হবে; সেটা রঙিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি হতে হবে সাম্প্রতিক তোলা এবং হোয়াইট ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি কিন্তু রাখার চেষ্টা করবে। হোয়াইট ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি এবং একটি সিগনেচার—সেটা সাদা পেপারে তোমাদের কালো অথবা নীল কালিতে সই করতে হবে। সেটা কিন্তু আপলোড অথবা সেই ফর্মে তোমাদের করতে হবে; অফলাইন হলে ফর্মে করতে হচ্ছে এবং অনলাইন হলে তোমাদের আপলোড করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সাইজের।
Read more : জমি নেই! জমি ছাড়াই আপনিও পাবেন কৃষকবন্ধুর ৪০০০ টাকা
পরীক্ষার সিলেবাস
এবং যে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে, যে পরীক্ষা তোমাদের দিতে হবে, সেটা দেখে নাও। প্রথমে থাকবে প্রবন্ধ লিখন অর্থাৎ রচনা লিখন; যেখানে ১৫ নাম্বারের মধ্যে রচনা থাকবে। ১৫০ টি শব্দের রচনা লিখন তোমাদের থাকবে। নারী এবং শিশু কল্যাণ, পুষ্টি এবং সামাজিক সমস্যার উপর একটি রচনা তোমাদের দেওয়া হবে; সেখান থেকে তোমাদের ১৫০ শব্দে লিখতে হবে। যেখানে ১৫ নাম্বার কিন্তু তোমাদের থাকছে এই প্রবন্ধ লিখনের থেকে।
এরপরে পাটিগণিত; পাটিগণিত থাকবে তোমাদের লসাগু, গসাগু, গড়, শতকরা, লাভ এবং ক্ষতি এবং সময় এবং কার্য। এই যে টপিকগুলো, এই টপিক থেকে তোমাদের প্রশ্ন দেওয়া হবে বা অংক দেওয়া হবে। এই বছরের বেস্ট বুকের লিংকগুলো ভিডিওর নিচে দেওয়া আছে; চাইলে তোমরা সরাসরি Flipkart থেকে অর্ডার করে নিতে পারো।
এরপরে দেখো, পুষ্টি এবং জনস্বাস্থ্য থেকে ২৫ নাম্বার থাকবে; যেখানে ভিটামিন, টিকাকরণ, গর্ভবতী মায়ের যত্ন এবং বিভিন্ন রোগের সম্পর্কে প্রশ্ন তোমাদের দেওয়া হবে। এরপরে দেখো সাধারণ জ্ঞান থেকে; এরপরে সাধারণ জ্ঞান থেকে ভারতের ইতিহাস, ভারতের ভূগোল এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা বা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানের সম্পর্কে তোমাদের প্রশ্ন দেওয়া হবে পরীক্ষায়, যেখানে ২০ নাম্বার থাকবে। সাধারণ জ্ঞান থেকে ২০ নাম্বার—ইতিহাস, ভূগোল এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থান বা বিভিন্ন জেলা সম্পর্কে তোমাদের প্রশ্ন দেওয়া হয়ে থাকে।
এরপরে দেখো ইংরেজি অর্থাৎ ইংলিশ থেকে যেটা থাকবে—প্রথমে থাকবে ব্যাকরণ এবং অনুবাদ। অনুবাদ অর্থাৎ ট্রান্সলেট; ইংলিশ থেকে বাংলায় তোমাদের ট্রান্সলেট করতে হবে। তো এই কয়টি বিষয়ের উপর পরীক্ষা হবে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা।
কোয়ালিফাই নম্বর ও মেরিট
এবং এই ৯০-এর মধ্যে কত পারসেন্টেজ পেলে তোমরা পাস করবে বা মৌখিক পরীক্ষায় ডাক পাবে, সেটা দেখে নাও। এখানে ৯০-এর মধ্যে পাস করার জন্য যারা জেনারেল প্রার্থী, তাদের ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ নাম্বার তোমাদের তুলতে হবে; অর্থাৎ তোমাদের ৩৬ থেকে ৪০-এর মধ্যে নাম্বার পেলেই তোমরা মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাক পাবে। মৌখিক পরীক্ষা অর্থাৎ ইন্টারভিউ-এ ডাক পেলেই যে তোমাদের চাকরি হবে, তেমন কোনো ব্যাপার নেই। তো যথেষ্ট ভালো নাম্বার পেয়ে পাস করলেই কিন্তু তোমাদের হাতে সুবর্ণ সুযোগ থাকবে; কেননা এই লিখিত পরীক্ষার পর ফাইনাল মেরিটের মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে।
এবং যারা এসসি, এসটি এবং ওবিসি প্রার্থী, তাদের ক্ষেত্রে কোয়ালিফাই নাম্বার যেটা রয়েছে ৩৫% থেকে ৪০%-এর মধ্যে; অর্থাৎ ৩২ থেকে ৩৬-এর মধ্যে পেলেই তোমরা ইন্টারভিউর জন্য কোয়ালিফাই করতে পারবে। বোঝা গেল? এবং পরবর্তীতে ৯০ লিখিত এবং ১০ ইন্টারভিউ—সেটার উপর ভিত্তিতে কিন্তু তোমাদের মেরিটের মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে।
যেহেতু দিন দিন কম্পিটিশন বেড়ে চলছে, তো তোমাদের চাকরি পাওয়ার জন্য যথেষ্ট ভালো নাম্বার তুলতে হবে। কেননা অ্যাপ্লিকেশনের সংখ্যা এই বছর কিন্তু অনেক বেশি দাঁড়াবে প্রত্যেকটা জেলার ক্ষেত্রে, আমি বলছি। তো অবশ্যই তোমাদের এই ৯০-এর মধ্যে যারা জেনারেল, ৭০ বা ৭০-এর কাছাকাছি যদি নাম্বার পাও, সেক্ষেত্রেই কিন্তু তোমাদের হাতে সুযোগ থাকবে। বোঝা গেল? যারা জেনারেল প্রার্থী, এই ৯০-এর মধ্যে ৭০ নাম্বার এনি হাউ তোমাদের তুলতেই হবে; তবেই কিন্তু তোমাদের হাতে সুযোগ থাকবে। এবং যারা এসসি, এসটি, ওবিসি প্রার্থী, তাদের ক্ষেত্রে ৬০ বা ৬৫-র মধ্যে যদি নাম্বার থাকে, তাহলে কিন্তু তোমরা সেফ জোনে থাকবে; তাহলে কিন্তু তোমরা ভরসা করতে পারবে যে তোমরা চাকরিটি পাবে। শুধুমাত্র ইন্টারভিউ কোয়ালিফাই করলেই চাকরি পাওয়া যায় না; এখানে যথেষ্ট ভালো নাম্বার তুলতে হয়, যথেষ্ট ভালো প্রিপারেশন কিন্তু নিতে হয়।
সম্ভাব্য বিজ্ঞপ্তির সময়
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ। এবং এই নিয়োগ আশা করা যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি মার্চের মিডিল হাফ থেকে শুরু হয়ে যাবে জেলাভিত্তিকভাবে। তো যেহেতু জেলাভিত্তিকভাবে নিয়োগ করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে আমি তোমাদের জানিয়ে রাখি—একেবারে প্রতিটি জেলাতে তোমরা বিজ্ঞপ্তি দেখতে পারবে না। কোনো জেলাতে দুদিন আগে বা কোনো জেলাতে দুদিন পরে তোমরা বিজ্ঞপ্তি দেখতে পারবে; তবে রাজ্যে একেবারেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়োগ।
আর যখনই নতুন কোনো বিজ্ঞপ্তি আসবে, সেটা যে জেলারই হোক না কেন, আমি এই ওয়েবসাইটে তোমাদের সবার আগে জানাবো। তো সেক্ষেত্রে অবশ্যই জেলার নামগুলো কমেন্ট করবে; তাতে আমার সুবিধা হবে। এবং যারা এই বছর আইসিডিএস কর্মী অথবা সহায়িকা পদে চাকরি পেতে চাও বা চাকরি করতে চাও, এখন থেকে তোমাদের প্রিপারেশন নিতে হবে যথেষ্ট ভালো। যখনই বিজ্ঞপ্তি আসবে এপ্লাই করে দেবে, কিছুদিন বই পড়বে, পরীক্ষা দেবে, ব্যাস। তো আশা করি তোমরা বুঝতে পারলে; এবং অবশ্যই তোমাদের জেলার নামগুলো কমেন্ট করবে।
ধন্যবাদ।
এরকম আরো আপডেট পেতে আমাদের wbformhelp.in ওয়েবসাইট টি ভিজিট করবেন।
FAQ Section
1. মোট কত শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে?
রাজ্যের ২৩টি জেলায় ৩৪১টি ব্লকে ক হাজার প্লাস শূন্যপদে আইসিডিএস কর্মী ও সহায়িকা নিয়োগ করা হবে।
2. আবেদন করার ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?
ন্যূনতম উচ্চ মাধ্যমিক পাস থাকতে হবে।
3. আবেদনকারীর বয়সসীমা কত?
১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।
এসসি/এসটি প্রার্থীরা ৫ বছর এবং ওবিসি প্রার্থীরা ৩ বছর বয়সে ছাড় পাবেন।
4. নিয়োগ প্রক্রিয়া কীভাবে হবে?
দুটি ধাপে নিয়োগ হবে —
(১) লিখিত পরীক্ষা (৯০ নম্বর)
(২) ইন্টারভিউ (১০ নম্বর)
5. লিখিত পরীক্ষায় কোন কোন বিষয় থেকে প্রশ্ন আসবে?
সাধারণ জ্ঞান, পাটিগণিত, পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্য, নারী ও শিশু উন্নয়ন, ইংরেজি এবং প্রবন্ধ লিখন।
6. পাস নম্বর কত?
জেনারেল প্রার্থীদের জন্য ৪০–৪৫% (৩৬–৪০ নম্বর)।
এসসি/এসটি/ওবিসি প্রার্থীদের জন্য ৩৫–৪০% (৩২–৩৬ নম্বর)।
7. নিরাপদ অবস্থানে থাকতে কত নম্বর তোলা উচিত?
জেনারেল প্রার্থীদের ৭০ এর কাছাকাছি এবং সংরক্ষিত শ্রেণীর প্রার্থীদের ৬০–৬৫ নম্বর তুললে সেফ জোনে থাকা যায়।
8. আবেদন কীভাবে করতে হবে?
নিজ নিজ জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে অফলাইন আবেদনও হতে পারে।
9. কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও মার্কশীট, মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড, কাস্ট সার্টিফিকেট (যদি প্রযোজ্য), পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও সিগনেচার।
10. বেতন কত দেওয়া হবে?
আইসিডিএস কর্মী পদে ১২,০০০ – ১৫,০০০ টাকা।
সহায়িকা পদে ৮,০০০ – ১০,০০০ টাকা।
Narayan garh Black Kaba from charba
👍🏻👍🏻
Koklamari
👍🏻👍🏻