
বর্তমান সময়ে ডমিসাইল সার্টিফিকেট হলো পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতের যেকোনো রাজ্যের নাগরিকের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি। সরকারি চাকরি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, স্কলারশিপ কিংবা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সুবিধা পেতে এই সার্টিফিকেট থাকা অপরিহার্য। এটি প্রমাণ করে যে, আপনি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা এবং সেই রাজ্যের সুবিধা পাওয়ার জন্য যোগ্য।
তাহলে প্রশ্ন হলো, এই গুরুত্বপূর্ণ ডমিসাইল সার্টিফিকেট আপনি খুব সহজে কিভাবে সংগ্রহ করবেন? এই article-এ আমরা দেখাবো, কিভাবে ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে ডমিসাইল সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করবেন এবং আবেদন করতে কি কি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট লাগবে। পুরো প্রক্রিয়াটি আমরা ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করব, তাই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত অবশ্যই দেখবেন।
Domicile সার্টিফিকেট অ্যাপ্লাই পদ্ধতি
প্রথমে আপনার Chrome Browser ওপেন করে ডেসকটপ মোড করবেন। তারপর E-district 2.0 পোর্টাল লিখে সার্চ করবেন। সার্চ রেজাল্টের প্রথম যে লিংকটা আসবে, সেই লিংকে ক্লিক করবেন। লিংকে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে ইডিস্ট্রিক্ট 2.0 পোর্টাল ওপেন হয়ে যাবে। লিংকে ক্লিক করে ডাইরেক্ট এই পোর্টালে আসতে পারবেন।
পোর্টালে আসার পর লগইন সাইন আপ অপশনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এইরকম ইন্টারফেস আসবে। এখানে User Name এন্ট্রি করবেন। তারপর সেন্ড ওটিপি ইন মোবাইল সিলেক্ট করে ক্যাপচা ঘরে ক্যাপচা এন্ট্রি করবেন। তারপর সাইন ইন অপশনে ক্লিক করবেন। যদি লগইন আইডি না থাকে, তাহলে রেজিস্টার অপশনে ক্লিক করে আগে লগইন আইডি তৈরি করবেন। তারপর লগইন সেকশনে এসে পোর্টালে লগইন করবেন।

পোর্টালে লগইন হবার পর আপনার অ্যাপ্লিকেশন ড্যাশবোর্ড ওপেন হয়ে যাবে। ড্যাশবোর্ডে আসার পর এই থ্রি লাইনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এইরকম ইন্টারফেস আসবে। জাস্ট সার্ভিস অপশনে ক্লিক করবেন। সার্ভিসে ক্লিক করার পর আবার নতুন ইন্টারফেস আসবে। জাস্ট সার্টিফিকেট অপশনে ক্লিক করবেন। সার্টিফিকেট অপশনে ক্লিক করার পর এখানে সার্টিফিকেট রিলেটেড অনেকগুলো সার্ভিস পেয়ে যাবেন। এই সার্ভিসগুলোর মধ্যে লোকাল রেসিডেন্স ডমিসিয়াল সার্টিফিকেট অপশনে ক্লিক করবেন।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
ক্লিক করার পর এইরকম ইন্টারফেস আসবে। কি কি ডকুমেন্টস লাগবে, তার লিস্ট এখানে পেয়ে যাবেন। যেমন—রেসিডেনশিয়াল প্রুফ হিসেবে জমির দলিল, বা পঞ্চায়েত প্রধানের দেওয়া রেসিডেন্স সার্টিফিকেট, অথবা বিডিও রেসিডেন্স সার্টিফিকেট। আইডেন্টিটি প্রুফ হিসেবে আধার কার্ড, বা ভোটার কার্ড, অথবা প্যান কার্ড। জন্মের প্রমাণপত্র হিসেবে জন্ম সার্টিফিকেট, বা মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড এবং পাসপোর্ট সাইজের এক কপি কালার ছবি।
আবেদন করার জন্য নিচে স্ক্রল করে এক্সেপ্ট অপশনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ওপেন হয়ে যাবে। প্রথমে অ্যাপ্লিকেন্ট বেসিক ইনফরমেশন সেকশনে আসবেন। এখানে মিস্টার বা মিসেস সিলেক্ট করবেন। তারপর এখানে অ্যাপ্লিকেন্টের ফার্স্ট নেম এন্ট্রি করবেন। মিডিল নেম থাকলে এখানে এন্ট্রি করবেন এবং এখানে লাস্ট নেম বা টাইটেল এন্ট্রি করবেন।
ব্যক্তিগত তথ্য ও ঠিকানা
অ্যাপ্লিকেন্টের ডেট অফ বার্থ এখানে এন্ট্রি করবেন। বয়স অটোমেটিক এখানে ক্যালকুলেট হয়ে যাবে। তারপর এখানে জেন্ডার অটোমেটিক সিলেক্ট হয়ে যাবে এবং ডেট অফ অ্যাপ্লিকেশন অটো ফিল হয়ে যাবে। তারপর এখানে মোবাইল নাম্বার এন্ট্রি করবেন। মোবাইল নাম্বার এন্ট্রি করার পর ভেরিফাই অপশনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর মোবাইলে ওটিপি আসবে। জাস্ট ওটিপির ঘরে ওটিপি এন্ট্রি করবেন এবং এখানে ইমেইল আইডি এন্ট্রি করবেন। তারপর এখানে অ্যাপ্লিকেন্টের আধার নাম্বার এন্ট্রি করবেন।
আধার নাম্বার এন্ট্রি করার পর অ্যাপ্লিকেন্ট পারমানেন্ট অ্যাড্রেস সেকশনে আসবেন। অ্যাড্রেস লাইন ওয়ানে গ্রামের নাম বা পাড়ার নাম এন্ট্রি করবেন এবং অ্যাড্রেস লাইন টুতে পোস্ট অফিসের নাম এন্ট্রি করবেন। এবং পোস্টাল পিনকোড এখানে এন্ট্রি করবেন। পিনকোড এন্ট্রি করার পর কান্ট্রি নেম ও স্টেট নেম অটোফিল হয়ে যাবে। তারপর এখানে ডিস্ট্রিক্টের নাম সিলেক্ট করবেন। সিলেক্ট করার পর এখানে সাব ডিভিশন সিলেক্ট করবেন। তারপর রুরাল না আরবান, তা সিলেক্ট করবেন। সিলেক্ট করার পর ব্লক অথবা মিউনিসিপালিটি সিলেক্ট করবেন আপনার এলাকা অনুসারে। তারপর ব্লকের নাম বা মিউনিসিপালিটির নাম সিলেক্ট করবেন। তারপর এখানে গ্রামের নাম অথবা ওয়ার্ডের নাম সিলেক্ট করবেন। গ্রামের নাম সিলেক্ট করার পর এখানে পোস্ট অফিসের নাম সিলেক্ট করবেন। এবং এখানে পুলিশ স্টেশনের নাম এন্ট্রি করবেন। সমস্ত কিছু এন্ট্রি করার পর সেভ এন্ড নেক্সট অপশনে ক্লিক করবেন।

সেভ এন্ড নেক্সটে ক্লিক করার পর অ্যাপ্লিকেন্টের প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস এন্ট্রি করার অপশন আসবে। অ্যাপ্লিকেন্টের পারমানেন্ট অ্যাড্রেস এবং প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস সেম হলে ‘সেম এস পারমানেন্ট অ্যাড্রেস’ সিলেক্ট করবেন। এবং পারমানেন্ট অ্যাড্রেস ও প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস আলাদা আলাদা হলে ‘নট সেম’ সিলেক্ট করবেন এবং অ্যাড্রেস ডিটেইলস ম্যানুয়ালি এন্ট্রি করতে হবে।
তারপর প্যারেন্ট বা হাসব্যান্ড ডিটেইলস সেকশনে আসবেন। এখানে রিলেটিভ টাইপ সিলেক্ট করবেন—ফাদার, মাদার বা হাসব্যান্ড, আপনার যেটা হবে। এখানে মিস্টার বা মিসেস সিলেক্ট করবেন। তারপর এখানে আবেদনকারীর গার্জেনের নাম এন্ট্রি করবেন। মিডিল নেম থাকলে এখানে এন্ট্রি করবেন এবং লাস্ট নেম বা টাইটেল এখানে এন্ট্রি করবেন। তারপর এখানে গার্জেনের পেশা এন্ট্রি করবেন; যেমন—ফার্মার বা লেবার, অ্যাপ্লিকেন্টের যেটা হবে। কোনো বিজনেস বা সার্ভিস থাকলে তার ডিটেইলস এখানে এন্ট্রি করতে পারবেন, যদিও এটা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তারপর সেভ এন্ড নেক্সট অপশনে ক্লিক করবেন।
সেভ এন্ড নেক্সটে ক্লিক করার পর অ্যাপ্লিকেন্টের প্লেস অফ বার্থ বা জন্মস্থান এন্ট্রি করার অপশন আসবে। এখানে ক্লিক করে রাজ্যের নাম সিলেক্ট করবেন ওয়েস্ট বেঙ্গল। অন্য রাজ্য হলে আদারস সিলেক্ট করবেন। অ্যাপ্লিকেন্টের জন্মস্থান এবং স্থায়ী ঠিকানা বা বর্তমান ঠিকানা যদি সেম হয়, তাহলে ‘সেম এস পারমানেন্ট অ্যাড্রেস’ বা ‘প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস’ সিলেক্ট করবেন। জন্মস্থান আলাদা হলে ‘নট সেম’ সিলেক্ট করবেন এবং অ্যাড্রেস ডিটেইলস ম্যানুয়ালি এন্ট্রি করতে হবে।
তারপর নিচে স্ক্রোল ডাউন করে এডুকেশন ডিটেইলস সেকশনে আসবেন। আসার পর অ্যাড অপশনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এইরকম একটি পপ-আপ আসবে। এখানে স্কুল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম এন্ট্রি করবেন। তারপর কোন ক্লাস থেকে কোন ক্লাস পর্যন্ত, তা সিলেক্ট করবেন এবং কত সাল থেকে কত সাল পর্যন্ত, তা সিলেক্ট করবেন। তারপর ওকে-তে ক্লিক করবেন। ওকে-তে ক্লিক করার পর এডুকেশন ডিটেইলস অ্যাড হয়ে যাবে।
Related Post : BDO Income Certificate Online Apply 2026 West Bengal – e-District থেকে ১ দিনে ইনকাম সার্টিফিকেট আবেদন ও ডাউনলোড গাইড
জন্মস্থান ও শিক্ষা তথ্য
তারপর সেভ এন্ড নেক্সটে ক্লিক করবেন। সেভ এন্ড নেক্সটে ক্লিক করার পর এইরকম ইন্টারফেস আসবে। লাস্ট ১৫ বছর ধরে যে ঠিকানায় বসবাস করছেন, সেই ঠিকানা এখানে এন্ট্রি করবেন। এন্ট্রি করার জন্য অ্যাড রো (Add Row) অপশনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এইরকম একটা পপ-আপ আসবে।
লাস্ট ১৫ বছর যে ঠিকানায় বসবাস করছেন, সেই ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা বা বর্তমান ঠিকানা যদি সেম হয়, তাহলে ‘সেম এস পারমানেন্ট অ্যাড্রেস’ বা ‘প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস’ সিলেক্ট করবেন। আলাদা হলে ‘নট সেম’ সিলেক্ট করবেন। ‘নট সেম’ সিলেক্ট করলে অ্যাড্রেস ডিটেইলস এখানে ম্যানুয়ালি এন্ট্রি করতে হবে। এবং লাস্ট কবে থেকে এই জায়গায় বসবাস করছেন, তা এখানে এন্ট্রি করবেন। ‘টু ডেট’-এর জায়গায় কারেন্ট ডেট এন্ট্রি করবেন এবং হাউস টাইপ সিলেক্ট করবেন—নিজের না ভাড়ার বাড়ি। তারপর ওকে-তে ক্লিক করবেন।
ওকে-তে ক্লিক করার পর অ্যাড্রেস ডিটেইলস অ্যাড হয়ে যাবে। তারপর নিচে স্ক্রল ডাউন করে আদারস ডিটেইলস সেকশনে আসবেন। ‘রিজন অফ অ্যাপ্লিকেশন’ অপশনে আদারস সিলেক্ট করবেন এবং কি কারণে ডমিসিয়াল সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করছেন, তা এখানে এন্ট্রি করবেন।
আবেদন সাবমিট ও ডকুমেন্ট আপলোড
তারপর সেভ অপশনে ক্লিক করবেন। সেভ অপশনে ক্লিক করার পর ভিউ অপশনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এইরকম একটা পপ-আপ আসবে। এখানে সমস্ত ডিটেইলস ভালো করে চেক করে ক্লোজ করে দেবেন। তারপর সাবমিট অপশনে ক্লিক করবেন।

সাবমিটে ক্লিক করার পর ডকুমেন্টস আপলোড করার অপশন আসবে। এখানে রেসিডেনশিয়াল প্রুফ হিসেবে জমির দলিল, অথবা পঞ্চায়েত রেসিডেন্স সার্টিফিকেট, অথবা বিডিও রেসিডেন্স সার্টিফিকেট আপলোড করবেন (১৫০ কেবির মধ্যে জেপিজি ফরম্যাটে)। তার জন্য এই অ্যাটাচ ফাইলে ক্লিক করে আপলোড করবেন। তারপর এখানে আইডেন্টিটি প্রুফ হিসেবে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড অথবা প্যান কার্ড আপলোড করবেন (জেপিজি বা পিডিএফ ফরম্যাটে ৫১২ কেবির মধ্যে)। তারপর এখানে পাসপোর্ট মাপের ছবি আপলোড করবেন (এক এমবির মধ্যে)। তারপর আদার্স রিলেভেন্ট ডকুমেন্টস অপশনে বাড়ির ট্যাক্সের রিসিপ্ট আপলোড করবেন।
তারপর নিচে একটু স্ক্রল করে বার্থ প্রুফ অপশনে জন্ম সার্টিফিকেট, মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড অথবা পঞ্চায়েত প্রধানের জন্মের ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট আপলোড করবেন (জেপিজি বা পিডিএফ ফরম্যাটে ২০০ কেবির মধ্যে)। সমস্ত ডকুমেন্টস আপলোড করার পর ‘আই এক্সেপ্ট’ অপশনে টিক মার্ক দিয়ে সেভ অপশনে ক্লিক করবেন। সেভ অপশনে ক্লিক করার পর ‘ডকুমেন্টস আপডেট সাকসেসফুল’ মেসেজ শো হবে। জাস্ট সাবমিট অপশনে ক্লিক করবেন।
সাবমিটে ক্লিক করার পর এইরকম একটা একনলেজমেন্ট রিসিপ্ট জেনারেট হয়ে যাবে। ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করে এটাকে ডাউনলোড করে নেবেন। যদি সার্টিফিকেটটা আপনার আর্জেন্ট প্রয়োজন হয়, তাহলে এই রিসিপ্ট নিয়ে বিডিও অফিস অথবা এসডিও অফিসে যোগাযোগ করবেন। অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট করার তিন থেকে সাত দিন পর ই-ডিস্ট্রিক্ট পোর্টাল লগইন করে সার্চবক্সে এআইএন (AIN) নাম্বার বা অ্যাপ্লিকেশন নাম্বার এন্ট্রি করবেন। তারপর সার্চ করবেন। সার্চ করার পর অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস ‘অ্যাপ্রুভ’ (Approve) শো হলে, জাস্ট ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করবেন।
Related Post : ৫ মিনিটে খতিয়ান বের করার উপায় ২০২৬ – মোবাইল দিয়ে দাগ ও পোর্চার তথ্য ডাউনলোড করুন
সার্টিফিকেট ডাউনলোড
তারপর এইরকম ইন্টারফেস আসবে। আবার ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করবেন। ডাউনলোডে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে এসডিও (SDO) ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ডাউনলোড হয়ে যাবে।
আশা করি, এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনাদের ডমিসাইল সার্টিফিকেট বা স্থায়ী বাসিন্দা সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন আবেদন পদ্ধতি স্টেপ বাই স্টেপ বোঝাতে পেরেছি। যদি আপনারা আরো কিছু জানতে চান বা কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
এরকম আরো আপডেট পেতে আমাদের wbformhelp.in ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন।
ধন্যবাদ –
FAQ Section
1. ডমিসাইল সার্টিফিকেট কি?
ডমিসাইল সার্টিফিকেট হলো একটি সরকারি নথি যা প্রমাণ করে আপনি নির্দিষ্ট রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা।
2. ডমিসাইল সার্টিফিকেট কেন প্রয়োজন?
সরকারি চাকরি, কলেজে ভর্তি, স্কলারশিপ এবং বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পেতে এটি প্রয়োজন।
3. পশ্চিমবঙ্গে ডমিসাইল সার্টিফিকেট কোথা থেকে করা যায়?
আপনি অনলাইনে e-District 2.0 পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।
4. ডমিসাইল সার্টিফিকেট করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে?
আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, রেসিডেন্স প্রুফ, জন্ম প্রমাণপত্র এবং পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগে।
5. ডমিসাইল সার্টিফিকেট অনলাইনে কিভাবে আবেদন করব?
e-District পোর্টালে লগইন করে Local Residence (Domicile) সার্ভিস সিলেক্ট করে আবেদন করতে হবে।
6. ডমিসাইল সার্টিফিকেট করতে কত দিন সময় লাগে?
সাধারণত ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট তৈরি হয়ে যায়।
7. আবেদন করার জন্য কি কোনো ফি লাগে?
কিছু ক্ষেত্রে নামমাত্র ফি লাগতে পারে, তবে অনেক সময় এটি ফ্রি-তেও করা যায়।
8. ডমিসাইল সার্টিফিকেটের স্ট্যাটাস কিভাবে চেক করব?
e-District পোর্টালে লগইন করে Application Number দিয়ে স্ট্যাটাস চেক করা যায়।
9. ডমিসাইল সার্টিফিকেট ডাউনলোড কিভাবে করব?
অ্যাপ্লিকেশন এপ্রুভ হওয়ার পর পোর্টাল থেকে সরাসরি PDF ফাইল ডাউনলোড করা যায়।
10. ডমিসাইল সার্টিফিকেট জরুরি হলে কি করব?
আপনি acknowledgement receipt নিয়ে BDO বা SDO অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।